জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের অসদাচরণ বা নিয়ম ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর ফলাফল স্থগিত করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার সময় অনৈতিক কার্যকলাপ—যেমন প্রশ্নপত্র ফাঁস, নকল করা, প্রযুক্তিগত অনিয়ম, কিংবা অন্য কারও সহযোগিতা নেওয়া—সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল স্থগিত করা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিলও করা হতে পারে।
এক কর্মকর্তা জানান, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সারা দেশে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। ন্যায্যতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। নিয়ম ভঙ্গকারীদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ছাড় দেবে না।”
👉 বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ বাড়িয়েছে এবং পরীক্ষকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অনলাইনে পরীক্ষাসংক্রান্ত অনিয়ম শনাক্ত করার জন্যও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
পরীক্ষার্থীদের প্রতি নির্দেশনা:
পরীক্ষায় নকল বা অন্য কোনো অনৈতিক উপায় ব্যবহার করবেন না।
কারও প্রলোভন বা চাপে নিয়ম ভঙ্গের চেষ্টা করবেন না।
নিয়ম মেনে পরীক্ষা দেওয়াই আপনার ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, শিক্ষার মান ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থা রক্ষা করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তাই সকল শিক্ষার্থীকে সতর্ক থেকে নিয়ম মেনে পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হয়েছে।
বইটি ক্রয় করতে এখানে ক্লিক করুন
ব্যতিক্রম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সহায়িকা - মানবিক (পেপারব্যাক)


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন