![]() |
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অধীনস্থ জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টার (JTWC)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবহাওয়া বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আজ (২ অক্টোবর) রাতের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্যের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করতে পারে। যদিও ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর এখনো একে গভীর নিম্নচাপ হিসেবেই দেখছে।
বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য প্রভাব
সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা নেই। তবে এর প্রভাবে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়েও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে।
বাংলাদেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে চট্টগ্রাম, ফেনী, লালমনিরহাট, নীলফামারী, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চলে হঠাৎ বন্যার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।
আবহাওয়ার সাম্প্রতিক অবস্থা
পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ ধীরে ধীরে ঘণীভূত হচ্ছে।
এটি প্রথমে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, পরে নিম্নচাপে এবং পরবর্তীতে গভীর নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগসহ ভারতের ত্রিপুরা ও আসামে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আগামী ৪ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
সারসংক্ষেপ
👉 ঘূর্ণিঝড় শক্তি সরাসরি বাংলাদেশে না এলেও এর প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও বন্যার ঝুঁকি রয়েছে।
👉 উপকূলীয় ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন