বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়তে যাচ্ছেন। আসন্ন পাকিস্তান সিরিজের পর তিনি যোগ দেবেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড–এর হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে।
🔄 কেন এই পরিবর্তন?
জাতীয় দলের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে সালাহউদ্দীন মনে করছেন, এই মুহূর্তে জাতীয় দলে তাঁর অবদান সীমিত। বরং তরুণ ক্রিকেটারদের তৈরি করে ভবিষ্যতের দল গঠনে ভূমিকা রাখাই তাঁর জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বোর্ডও এই সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে।
তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফল হতে হলে শুধু স্কিল নয়—ক্রিকেটারদের মানসিকতা, কৌশলগত চিন্তা এবং জীবনযাপনেও উন্নতি দরকার। এই জায়গাগুলোতেই কাজ করতে চান তিনি।
🎯 লক্ষ্য কী?
এইচপি প্রোগ্রামে তাঁর মূল ফোকাস থাকবে—
দীর্ঘমেয়াদি ট্রেনিং সিস্টেম
ম্যাচ পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা
ভবিষ্যতের জন্য স্পেশালাইজড ক্রিকেটার তৈরি
বিশেষ করে তিনি খুঁজছেন এমন অলরাউন্ডার, যারা নিচের দিকে ব্যাটিং করে দলকে ভরসা দিতে পারে এবং একই সঙ্গে বোলিংয়েও কার্যকর ভূমিকা রাখে—যা বর্তমানে জাতীয় দলে একটি বড় ঘাটতি।
🏗️ কাঠামোতেও আসছে পরিবর্তন
বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়ন কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনায়—
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পর যুক্ত হবে অনূর্ধ্ব-২৩ দল
জাতীয় দলের আগে এইচপি ইউনিট হবে মূল প্রস্তুতির ধাপ
প্রয়োজনে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাও এখানে এসে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন
📅 দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
সালাহউদ্দীন স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, শুধু কয়েক মাসের ক্যাম্প করে নয়—সারা বছরজুড়ে চলবে এইচপি কার্যক্রম। লক্ষ্য একটাই—এখান থেকে উঠে আসা ক্রিকেটাররা যেন সরাসরি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রমাণ করতে পারে।
👉 সংক্ষেপে:
জাতীয় দলের ডাগআউট থেকে বেরিয়ে এখন ভবিষ্যতের তারকা তৈরির দায়িত্ব নিচ্ছেন সালাহউদ্দীন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এটি হতে পারে এক নতুন যুগের সূচনা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন